সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল | ৯ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি

স্থানীয়দের কবর দেওয়ার জায়গাটাও কি কেড়ে নেওয়া হবে?

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी ဗမာစာ ဗမာစာ

আমাদের পরর্বতী প্রজন্ম কি আমাদের ক্ষমা করবে? আমরা কি তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারার মত হয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারব না?নাকি তাদের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে নিজের অধিকারের কথাও ভুলে যাব?বাস্তবতায় তাই বলতেছে এনজিওদের দাপট আর চাটুকারিতা আমাদের অতীষ্ঠ করে তুলেছে আজ আমরা বড্ড অসহায় হয়ে পড়েছি।

বিশেষ করে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের জনগণ।আমাদের বুকে চেপে রাখা কষ্ট কখনো প্রকাশ করলে মনে হয় যেন, এই বছরের সেরা একটা জোকস বলছি। হাসতে হাসতে কত বিরূপ মন্তব্য করে আমাদের নিয়ে। জানিনা পরিস্হিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়

যেখানে রোহিঙ্গারা বিনা ভ্যাট,ট্যাক্সে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা পরিচালনা করতেছে, বিভিন্ন ক্যাম্পে সাজিয়েছে বড় বড় বাজার। এসব ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার ব্যবসা তো আছেই। আমাদের স্হানীয় লোকদের কে তোয়াক্কা করা তো দূরের কথা এমন কী তারা প্রশাসন সহ দেশের সব আইন অমান্য করে প্রতি নিয়ত যে কেন অপরাধে জড়িত হচ্ছে। এইসব অনিয়মের প্রশ্রয় দিচ্ছে এনজিও তাদের প্রশ্রয়ে তারা আজ আমাদের উপর প্রকট আকার ধারণ করেছে।

শুধু তাই নয় ক্যাম্প ইনচার্জ সুযোগ পেলেই শুরু করে অমানবিক নির্যাতন কেড়ে নেয় স্হানীয়দের ফসলি জায়গা জমি। তখন তারা ভুলে যায় আমাদের ট্যাক্সের টাকার উপরে তাদের বেতন হয়। স্থানীয়দের মান সম্মানের কথা চিন্তা না করে নির্যাতন করা হয় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সামনে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে খুব অসহায়।

বিগত অনেকবার স্থানীয়রা চাকরির নিয়োগ বানিজ্য বা বৈষম্য না করার আন্দোলন করেছিল।আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ৭০% নেওয়ার কথা থাকলেও, জরিপে দেখা যায় ৩০% ও চোখে পড়ে না। চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গার মানুষ গুলো আমাদের % এর উপর চাপিয়ে দিয়ে বলা হয় এই সব গুলো স্হানীয়।

এনজিওদের এমন মিথ্যাচারে পালংখালীর স্হানীয় বেকার যুবক যুবতী খুব অসহায় পাশাপাশি নিয়োগ বানিজ্য কারসাজি তো আছেই। বর্তমানে সব নিয়োগ আগে থেকে নির্ধারণ করে রাখা হয়। নেই কোন মেধা যাচাই করণ।আছে শুধু স্বজনপ্রীতি। আগে থেকে লোক নিয়ে কিছু অসহায় ছেলে,মেয়েদের আবেগ নিয়ে খেলা করা হয়।এতে মানসিক চাপে ভোগতেছে স্ স্থাহানীয় শিক্ষিত বেকার যুকব যুবতীরা। স্থানীয়দের মতে, পূর্বে থেকে যদি লোক নির্ধারণ করা থাকে তাহলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন দেওয়া হয়?

কারো স্বপ্ন বুনে দিতে না পারলে স্বপ্ন ভেঙ্গে দেওয়ার অধিকার কে দিয়েছে এনজিওদেরকে? সিভি যদি বস্তায় ভরে নর্দমার ডাষ্টবিনে ফেলে দেয় তাহলে কোন অধিকারে আপনি তার ৫০০ টাকা লচ করলেন? একটা বেকার ছেলের মেয়ের কাছে ৫০০ টাকা কত মূল্যবান আপনারা যখন বেকার ছিলেন তখনকার কথা মনে করলে তো বুঝতে পারবেন।নিজের চাকরি বাঁচানোর জন্য নিয়ম পরিচালনা করতে গিয়ে নিয়োগ বানিজ্যটা কী ঠিক? নাকি সেটা আপনাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েগেছে?আমাদের কে সব সময় হাতে মোয়া ধরিয়ে দিবেন সব জায়গায় সুযোগ সুবিধা গুলো আপনার নিবেন এটা কেমন কথা? জানিনা আর কতদিন চলবে এভাবে রোহিঙ্গা আর এনজিওর রাজত্ব?

এনজিওরা চাকরির জায়গা থেকে স্থানীয়দের বঞ্চিত করেছে আর রোহিঙ্গারা করেছে সকল ব্যবসা থেকে।কোন অাইনে উল্লেখিত আছে এভাবে স্হানীয়দের নাজেহাল করার?এভাবে স্থানীয়দের সব কিছু নিয়ে নিলে হয়ত একদিন কবরের জায়গাটাও দাবি করবে। তাই আমি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করব। বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করুন। কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন এনজিও নিয়োগ বানিজ্য ও কারসাজির ব্যাপারে আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নিবেদক–
দেলোয়ার হোছাইন (বাপ্পী)
বি,এ, এম,এ,( এল এল,বি অধ্যায়নরত)
বালুখালী,উখিয়া-কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *