সোমবার, ১৩ Jul ২০২০, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সদস্যদের অনুমতি ছাড়া সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটিতে নাম ব্যবহারে তীব্র প্রতিবাদ করোনা মোকাবিলা খাতে সমাজ সেবক আজিজের ৬ লক্ষ টাকার চেক প্রদান বড়উঠানে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ টেকনাফের হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যু সেই শিকল বন্ধি আদিদবাসী নারীর চিকিৎসাসহ ভাতার ব্যবস্থা করলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক হােয়াইক্যংয়ে র‌্যাবের অভিযানে ৩ লক্ষ ইয়াবাসহ আটক-২ আলীকদমে গরীব দুঃস্থদের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত বড় মহেশখালীতে পুলিশের অভিযানে চোলাই মদ সহ আটক-২ অাশু বড়ুয়ার কবিতা “কেউ ভাল নেই” উখিয়ায় এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার! হত্যা না আত্নহত্যা প্রশ্নবিদ্ধ প্রাণনাশের হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন চান্দগাঁও এর ইজিলোড ব্যবসায়ি আরশাদ!
রোহিঙ্গা কিশোরীর কর্ণছেদন অনুষ্ঠানে এক কেজি স্বর্ণ ও ৪৫ লাখ টাকার উপহার!

রোহিঙ্গা কিশোরীর কর্ণছেদন অনুষ্ঠানে এক কেজি স্বর্ণ ও ৪৫ লাখ টাকার উপহার!

ফাইল ফুটেজ

শুনলে বিস্ময়ে অবাক মানতে হয়। কিন্তু ঘটনা সত্য। কাহিনীটি এক রোহিঙ্গা ডাকাতের। টেকনাফের দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদের কিশোরী কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া গেছে এক কেজি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ লাখ টাকা।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ গতকাল শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি জানিয়ে নিশ্চিত করেছেন—এ ঘটনার পর কয়েক দফা অভিযান চালানো হয় রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদকে ধরতে। কিন্তু তিনি তাঁর বাহিনী নিয়ে টেকনাফের গহিন পাহাড়ে লুকিয়ে আছেন। ফলে ধরা যায়নি।

ওসি বলেন, ‘কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে এ রকম উপহারসামগ্রী পাওয়ার বিষয়টি এলাকাবাসীও জানে।’

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিন নুর মোহাম্মদ তাঁর কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গরু-ছাগল জবাই করে আয়োজন করা হয় ভোজ অনুষ্ঠানের। আমন্ত্রিতদের সবাই রোহিঙ্গা ডাকাত, সন্ত্রাসী এবং ইয়াবা কারবারি।

তিনি আরো জানান, ১৯৯২ সালে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় প্রথমে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে সেখানে জমি কিনে ঘরবাড়ির মালিক হয়ে যান। এপারে আশ্রয় নেওয়ার পর ওপারের রোহিঙ্গাদের নিয়ে সীমান্তে গড়ে তোলে বিশাল ডাকাত বাহিনী।

এই ডাকাত বাহিনী অপহরণ, ডাকাতি, ছিনতাই, মানবপাচারসহ সীমান্তে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়ে। আর দুই বছর আগে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা ঢলের পর নুর মোহাম্মদ ডাকাতের প্রতাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এলাকার পাঁচ-ছয়টি রোহিঙ্গা শিবির, টেকনাফের বিস্তৃত পাহাড়, সীমান্তের নাফনদ ও নাফনদের ওপারে রাখাইনের অভ্যন্তরে থাকা ইয়াবা কারখানা ও গবাদি পশুর বাজার নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এসব অপকর্ম করে বাহিনীর সদস্যরা কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যায়।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আরো জানান, নুর মোহাম্মদ ডাকাত সর্দার হওয়ার কারণে ভোজের দাওয়াতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, ডাকাত ও ইয়াবা কারবারিরা অংশ নেয়। তাঁর ভোজ অনুষ্ঠান থেকে গিয়েই ওই দিন রাতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা খুন করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে।

তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ ডাকাতের চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পাকা ভবন, একটি দোতলা টাওয়ার, একটি টিনের ঘর, অন্যটি বাগানবাড়ি।

ডাকাত নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ অনেক মামলা রয়েছে। তিনি একজন মোস্ট ওয়ানটেড আসামি।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সাইটের কোন লিখা বিনা অনুমতিতে কপি করা আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সিটিবি নিউজ ২০১৮-১৯ সম্পাদক কতৃক সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত, নিবন্ধনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত।
Desing & Developed BY MONTAKIM