বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মহেশখালীতে নানা অজুহাতে পুলিশ পাহারায় চলাচল প্রসব যন্ত্রণায় কাতর প্রান্তি সেনকে হাসপাতালে নিয়ে গেল পুলিশ লকডাউন পর্যটন নগরী কক্সবাজার পালংখালীতে লকডাউন মানছেনা মাটি ও বালি খেকো সেন্ডিকেট নতুন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এর জীবনবৃত্তান্ত বাইশারীতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর লিফলেট, মাস্ক ও ত্রান বিতরণ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে সাতকানিয়ায় ১’শ পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করোনা প্রতিরোধে ১৫০ জনকে আবারো দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ত্রাণ বিতরণ ঘরে থাকুন,নিজে বাঁচুন,দেশকে বাঁচান-কাছের মানুষগুলোকে সুরক্ষিত রাখুন  দৌছড়ীতে আঃলীগ নেতার ইন্ধনে উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত পাড়া কেন্দ্র ভাংচুর আপনি ঘরে থাকলেই করোনা দুর্বল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের অর্থ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এর ত্রাণ বিতরণ
রোহিঙ্গাদের পঞ্চম দফায় ত্রাণ সহায়তা ভারতের

রোহিঙ্গাদের পঞ্চম দফায় ত্রাণ সহায়তা ভারতের

বিশেষ প্রতিবেদক::

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পঞ্চম দফায় ত্রাণ সহায়তা দিল বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গাক্যাম্পে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এ ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।

পঞ্চম দফার ত্রাণ হিসেবে তুলে দেওয়া হয় এক হাজার পায়ে চালিত সেলাই মেশিন, ৩২টি সাধারণ তাঁবু, ১০০টি ফ্যামিলি তাঁবু ও জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ সহায়তা দিল ভারত। বাংলাদেশের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এ কার্যক্রমে সব ধরনের সহযোগিতা করে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার পৌঁছান ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জি, হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব দীপ্তি আলাংঘাট, অ্যাটাশে (প্রেস) দেবব্রত পাল প্রমুখ।

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এর আগে ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় অপারেশন ইনসানিয়াতের আওতায় ৫৩ টন খাদ্য সামগ্রী পাঠায় ভারত। তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, চিনি, লবণ, বিস্কুট, গুঁড়ো দুধ, নুডলস, সাবান, মশারি ও তেল।

মানবিক এ সহযোগিতার স্মারক হিসেবে দ্বিতীয় দফায় ১০৪ মেট্রিক টন গুঁড়ো দুধ, ১০২ মেট্রিক টন শুঁটকি মাছ, ৬১ মেট্রিক টন শিশুখাদ্য, ৫০ হাজার রেইনকোট এবং ৫০ হাজার গামবুট পাঠায় ভারত। যা চট্টগ্রামে হস্তান্তর করেন তৎকালীন হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তৃতীয় দফায় ১০ লাখ ১০ হাজার লিটার কেরোসিন তেল ও ২০ হাজার স্টোভ দেওয়া হয়।

ভারতীয় ত্রাণ সহায়তার চতুর্থ চালানে ছিল দুই লাখ ২৫ হাজার কম্বল, দুই লাখ উলের সোয়েটার ও পাঁচশ সৌর সড়কবাতি। বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে চতুর্থ পর্যায়ের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নিধনযজ্ঞ শুরু করলে বাংলাদেশ অভিমুখে শরণার্থীদের ঢল নামে। এ পর্যন্ত এ দেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখেরও বেশি বলে হিসাব বিভিন্ন সংস্থার।

রোহিঙ্গাদের সসম্মানে প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় কাজ করছে বাংলাদেশ। এ সংকট নিরসনে বরাবরই বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বলছে ভারত।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রতাবাসন কমিশনার মো. মাহবুব আলম তালুকদারসহ দেশি-বিদেশি এনজিও প্রতিনিধিরা।

সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সাইটের কোন লিখা বিনা অনুমতিতে কপি করা আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সিটিবি নিউজ ২০১৮-১৯ সম্পাদক কতৃক সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত, নিবন্ধনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত।
Desing & Developed BY MONTAKIM