Saturday, 24 Oct 2020

রামুতে ডাকাতের হাতে শিল্পী জনি হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी ဗမာစာ ဗမာစာ

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু:: নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী রামুর ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের হিমছড়ী ঢালায় ৮ অক্টোবর সকাল ৮টা ২০ মিনিটের সময় জনপ্রিয় উদিয়মান তরুণ কন্ঠ শিল্পী জনি দে রাজ ডাকাতের হাতে নির্মম ভাবে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ঐদন বিকালে ঈদগড় বাজারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুস্টিত হয়েছে।

ঈদগড় প্রাক্তন ছাত্র সংসদ, হিন্দু মহাজোটসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো,আওয়ামীলীগ সভাপতি নুরুল আলম, এ এম বি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাত্তন ছাত্র ইব্রাহীম খলিল, নুরুল আবছার, তৌহিদুল ইসলাম,ঈদগড় এ এম বি উচ্চ বিদ্যালযের সহকারী শিক্ষক বাবু বিষু মোহন দেব , কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রভাষক মোঃ ইউছুপ , ঈদগাঁও ফরিদ আহাম্মদ কলেজের প্রভাষক ছলিম উল্লাহ , ঢাকা ইউনির্ভাসিটির মেধাবী ছাত্র মহি উদ্দীন , ঈদগড় সরকারী প্রাঃবিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম , ব্যবসায়ী আহসান উল্লাহ ,নুরুল হুদা , গিয়াস উদ্দীন প্রমুখ।
নিহত জনি দে বুধবার চকরিয়া থেকে একটি অনুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার সকালে ঈদগাওঁ থেকে ঈদগড় তার নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে এ মর্মান্তিক এ হত্যা কান্ডের শিকার হন। সে ঈদগড় পূবরাজঘাট এলাকার তপন দের পুত্র। জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পি জনি দে এবারের এইস এস সি পরীক্ষার্থী ছিলেন। সর্বশেষ খবরে যানা গেছে ডাকাতদলের চাইনিজ কুড়ালের আঘাতে তার মৃত্যু কথা নিশ্চিত হওয়ার কথা জানান
পরিবার। অপর দিকে তার মা এটাকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড দাবী করছেন।
ঘটনার পর রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা,ওসি আজমিরুজ্জামান সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন জানান, ময়না তদন্ত শেষে এ রির্পোট লিখাকালীন সময়ে নিহতের লাশ ঈদগড়ে রয়েছে।
তাকে এক নজর দেখার জন্য সহযোগী শিল্পি, সমবয়সী বন্ধু -বান্ধব ও ভক্তরা তার বাড়ীতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন।
সে নম্র,ভদ্র স্বভাবের ছিল। মা বাবাসহ সবার অতি প্রিয় ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী গর্বের ধনকে হারাল। ঈদগড়ে এ জনপ্রিয় শিল্পীর মৃত্যুতে সব কিছু স্তব্দ হয়ে পড়ে।
বক্তারা বলেন, ডাকাতে গুলিতে আমরা আর আপনজনকে হারাতে চাই না। বক্তারা অনতিবিলম্ব জড়িতদের গ্রেপ্তারপুর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ঈদগড়বাসী নিরাপত্তার জন্য ডাকাত প্রবণ ঢালায় একটি বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনের দাবী জানান।
উল্লেখ্য,বিগত কয়েক বছরে বাইশারী, ঈদগড় -ঈদগাঁও সড়কে পুলিশের নায়ক সুশময় চাকমা, দিন মজুর জাগের হোসন, ছাত্র জনিসহ অনেকে ডাকাতের হাতে মারা যান এবং হাজারেরও বেশি মানুষকে ডাকাতরা অপহরণ করে মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়। বলতে গেলে এ সড়কে জান মালের কোন নিরাপত্তা নেই। সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পুলিশ থাকার পরও এ অঘটন ঘটছে তা নিয়ে এলাকার জনগণ খুবই শংকিত।
এলাকাবাসী এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *