হোম কক্সবাজার উখিয়া ভাসানচরে ৪৬ বাসের বহরে ৩ হাজার রোহিঙ্গার যাত্রা

ভাসানচরে ৪৬ বাসের বহরে ৩ হাজার রোহিঙ্গার যাত্রা

শ.ম.গফুর,উখিয়া(কক্সবাজার):: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ১২ দফায় প্রথম অংশে নোয়াখালীর ভাসানচরে ৩ হাজার রোহিঙ্গা রওনা দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে ১৪টি বাসে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে তারা ভাসানচরে উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দেয় ১৪৩৭এবং বিকেলে ৩২টি বাসে আরও ১৬০০ রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে করে ভাসানচরে পৌঁছবেন।

বুধবার (০৯ মার্চ) দুপুরে এসব তথ্য জানিয়ে অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসু দ্দৌজা নয়ন জানান, ‘বারো দফায় দুই অংশে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে উদ্দেশে উখিয়া থেকে রওনা দিয়েছে।

এদিকে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এগারো দফায় প্রায় ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে সরকার ভাসানচরে পাঠায়। এ ছাড়া গত বছর মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করা ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে রাজি হওয়া রোহিঙ্গারা উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে রওনা দিয়েছে উল্লেখ করে ৮এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন জানান, এবার তার শিবির থেকে সাড়ে ৪০০ রোহিঙ্গা ভাসানচরে উদ্দেশে যাত্রা করেছে। অন্যবারের চেয়ে এবারের সংখ্যাটা বেশি।

উখিয়া শরণার্থী ক্যাম্পে নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত কক্সবাজারের আর্মড পুলিশ ১৪ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (এসপি) নাইমুল হক পিপিএম জানান, বারো দফায় উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে দেশটি থেকে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। আগের ও তখনকার মিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে বসবাস করছেন।

ওই বছরের নভেম্বর মাসে কক্সবাজার থেকে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয় সরকার। আশ্রয়ণ-৩ নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে।

custom_html_banner1
পূর্ববর্তী নিবন্ধনাইক্ষ্যংছড়ি ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতির চট্টগ্রামের একটি হোটেল থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  
পরবর্তী নিবন্ধউখিয়ার কুতুপালং বাজারে রোহিঙ্গা ইমাম হোসেনদের বেঈমানী কারবার!
চট্টলা বাংলা - বাংলা মাটির উন্নয়ন অগ্রগতিতে: তাজা খবর ২৪ ঘন্টা