সোমবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল | ২০শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি

জনসেবকের আরেক নাম ‘মুহাম্মদ দিদারুল আলম’

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी ဗမာစာ ဗမာစာ

বিশেষ প্রতিনিধি:

আলহাজ্ব মুহাম্মদ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম কর্ণফুলী উপজেলার ২নং বড়উঠান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি এবং কর্ণফুলী উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজ এলাকার রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবাসহ সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বদ্ধপরিকর তিনি। করোনাকালে সরকারের পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে অসহায়, দরিদ্র, দুস্থ, নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও ধারাবাহিকভাবে খাদ্য বিতরণ করছেন তিনি। বিশেষ কর যার গ্রাম্য বিচার আদালতে সাধারণ মানুষের পুরোপুরি আস্থা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে চেয়ারম্যানের জনসেবা।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবেও তার এলাকায় উন্নয়ন ও নিজ দলের ইশতেহার বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। শিল্পজাত এলাকায় বসবাস করেও তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজ মুক্ত করেছেন নিজের নেতাকর্মীদের। রাজনীতি ও জনসেবায় সফল চেয়ারম্যান দিদারুল আলমের এমন কার্যক্রমে খুশি তার এলাকার সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। তাঁরা বলছেন, ভাগ্যক্রমেই এমন চেয়ারম্যান পেয়েছেন তাঁরা।

তথ্যমতে, অতীতে দুবারের ইউপি নির্বাচনে কঠিন পরিস্থিতিতেও ভোটের মাঠে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন তিনি। এরপর থেকে শুরু করেন নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নের ক্যারিশমা। তার হাত ধরেই বড়উঠান ইউনিয়নের উন্নয়নের চাকা সচল হয় পূর্ণরূপে। পুরো এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্টের একের পর এক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। ভাঙা রাস্তা সংস্কার, ইটের সলিং, কাঁচারাস্তা পাকাকরণসহ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নতুন রাস্তাও তৈরি করছেন তিনি।

এছাড়া একের পর এক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন সফলভাবে। পাশাপাশি নিজ নেতৃত্বগুণে তিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনা মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেক লীগ, কৃষক লীগসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জনসেবায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন।

অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী ও করোনায় কর্মহীন মানুষের তালিকা তৈরি করে দিয়ে যাচ্ছেন আর্থিক সহায়তা ও ত্রাণসামগ্রী। করোনায় আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা ও আক্রান্তের বাসায় পৌঁছে দিচ্ছেন খাবার। দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য উপহার।

করোনার সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দ‚রত্ব নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টি, লিফলেট ও সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছেন। তার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের কারণে বড়উঠান এলাকা অনেকটাই করোনার সংক্রমণ ও আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে। আর এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে তাঁর সততা ও ন্যায়ের কারণে। রাজনৈতিক কর্মস‚চির আগে এবং পর গভীর রাত পর্যন্ত অসহায় মানুষের কথা শুনেন নিয়মিত।

জানতে চাইলে বড়উঠান ইউনিয়নের বয়ঃবৃদ্ধ হাজী ওমর আলী বলেন, ‘জনসেবায় তার দৈনন্দিন কার্যক্রমের মাধ্যমে এলাকায় তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং এতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

বড়উঠান এলাকার বাসিন্দা উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোমেনা আক্তার নয়ন ও মহিলা নেত্রী জুসি হোসাইন বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক জীবনে এমন আ.লীগ নেতা ও চেয়ারম্যানকে ডোর টু ডোর গিয়ে জনসেবা করতে আগে কখনোই দেখিনি। কিন্তু দিদার ভাই ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ নেন এবং সহায়তা করেন।’

এমনকি পুরো ইউনিয়নে তিনি গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের অভিভাবক। এছাড়াও তিনি ছিলেন পরিপূর্ণ সংগঠক ব্যক্তিত্ব। শ্রমজীবি খেটে খাওয়া সাধারণ নিরীহ মানুষের সুখ-দুঃখের সর্বসময়ের সাথী। জনস্বার্থে সকল প্রকার উন্নয়ন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি সকলের মাঝে হয়ে উঠেছেন এক তুমুল জনপ্রিয় চেয়ারম্যান, একাধারে নেতা ও জনসেবক । যা এক দৃষ্টান্তও বলা যায়। উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরেছেন।

স্থানীয় আ.লীগ সূত্রে জানা যায়, সাবেক এই তুখোড় সাহসী ছাত্রলীগ নেতা, রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী মুজিব সৈনিক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুজিবকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও আদর্শের আদর্শিত ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম মহান পুরুষ মরহুম জননেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ভাই এর হাতেগড়া কর্মী তিনি। তাঁর সুযোগ্য পুত্র মাননীয় ভ‚মিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয় এর নির্দেশনায় তিনি তৃণমূলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

দিদারুল আলম স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা, জেলাসহ তৃণমূলের সকল স্তরে তিনি এক সময় ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন পশ্চিম পটিয়া থানা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহ্বায়ক, ছাত্রলীগ যুবলীগের পদ-পদবী গুলো তিনি পেয়েছিলেন আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ভাই এর সুপারিশক্রমে।

পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ইমেজের ভূমিমন্ত্রীর আস্থায় উপজেলা আওয়ামীলীগ এর এডহক কমিটির সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন তিনি। এমনকি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সাবেক এই ছাত্রনেতা দু’বার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

আলহাজ মুহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। পাশাপাশি মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয় এর দিকনির্দেশনায় বড়উঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এমনকি জনগণ আমাকে বিশ্বাস করে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। মানুষ ও মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *