Saturday, 24 Oct 2020

কি হবে আগামির দিন গুলোতে? দেলোয়ার হোছাইন বাপ্পী

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी ဗမာစာ ဗမာစာ

প্রিয় উখিয়া টেকনাফের অভিভাবক এবং প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্মকতা ভেবে দেখেছেন? কি হবে আগামির দিন গুলোতে?

কঠিন সময় পার করতে যাচ্ছে উখিয়া টেকনাফের জনগণ, প্রতিনিয়ত যেন মরণের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে, তাহলে কি বাংলাদেশর নাগরিক হয়ে বেঁচে থাকার জন্য সব সময় মৃত্যুর আতঙ্ককে নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে?
এজন্য কি আমার প্রিয়মাতৃ ভূমি স্বাধীন হয়েছিল?রোহিঙ্গারা যেখানে বাংলাদেশের নাগিরিকের থেকে দায়িত্ব নিরাপত্তা বেশি পায় এবং করে যাচ্ছে কোন প্রকার নিয়মনীতি আইন না মেনে ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকরি এই স্বাধীনতা যদি রোহিঙ্গারি পাই, তাহলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে কে তাদের দেশ হিসেবে দাবি করে স্বাধীনতার যুদ্ধ করতে কতক্ষণ?

রোহিঙ্গাদের সব সময় এটা মনে করিয়ে দিতে হবে এটা তাদের দেশ নয়, কিন্তু বাস্তবে তারা ভুলেই গিয়েছে মায়ানমার নামক একটা দেশের তাঁরা নাগরিক ছিলন।তাঁরা প্রতি নিয়ত বলে এইদেশে কত স্বাধীনতা,
কত স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা যায়।

তাদের স্বাধীনতা দেওয়ার কারণে আজকে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা হারা হয়ে গেছে,
এজন্য আজ রোহিঙ্গারা এতবেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছে বলেই তাঁরা প্রতিনিয়ত বলতেছে টেকনাফ থেকে ফেনি পর্যন্ত আরকান রাজ্য, এসব কিছুর পেছনেদায়ী এনজিওদের জামাই আদর এবং প্রশাসনের দুর্বল পরিচালনা।
এনজিওরা দিচ্ছে চাকরির সুবিধা, প্রশাসন দিচ্ছে ব্যবসার সুবিধা।
সব মিলিয়ে আরামে আছে রোহিঙ্গারা, অতিষ্টে আছে স্হানীয়রা।
রোহিঙ্গাদের যদি এত ভালবাসা দেখানো হয় মাথার উপর তো উঠবেই? এনজিওরা মনে ভালকরে জানে রোহিঙ্গা জনগোষ্টীতে ১০০ তে ১০০ জন অশিক্ষিত, হাজারে একজন শিক্ষিত। সেই একজনকে খুঁজে আবার চাকরি দিচ্ছে বড় বড় পদে। নিম্ন পদে চাকরি দিচ্ছে অশিক্ষিত রোহিঙ্গাদের।
তাহলে তাঁরা সহিংসতা না করে কে করবে?

প্রয়োজনের অতিরিক্ত করতে গিয়ে আজকে ভালবাসার বদহজম হয়েগেছে।
যার বাস্তব প্রমাণ আজকের দিনটি আমাদের দেখতে হচ্ছে আমাদের। কঠিন পরিস্হিতি সামলানো খুবী কষ্টকর হয়ে পড়েছে,
তবে বাস্তবতাকে তো এড়িয়ে যাওয়া যাবেনা।

এখনো সময় আছে রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ শক্তি বাড়াতে হবে। যাতে আমাদের সামনে দিন গুলোতে কাপনের কাপড় পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিকদের ঘর থেকে বের হতে না হয়।
আমরা আমাদের স্বাধীন দেশে রোহিঙ্গাদের থেকেও মাথা উঁচু করো বাঁচতে চাই।
আমাদের যাবতীয় সমস্যার পিছনে দায়ী এনজিওর রোহিঙ্গাদের প্রতি অতিরিক্ত ভালবাসা।

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ সরকারের বোঝা হিসেবে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার মুসলিম হিসেবে মানবতা দেখিয়েছে বলে এনজিওরা যেমন ইচ্ছে কার্যক্রম পরিচালনা করতেছে।
তাঁরা আজকে বাংলাদেশকে ক্ষতির মুখে টেলে দিচ্ছে। মনে রাখবেন মানবতার অপর নাম দুর্বলতা নয়।

রোহিঙ্গাদের এত সাহস হয় কি করে?
যেখানে বাংলাদেশে প্রশাসন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গুলি চালাতে পারেনা যেখানে রোহিঙ্গা দিন দুপুরে গুলি চালাচ্ছে।

সৃষ্টি করছে আইয়্যামে জাহেলীয়ার মত গোত্র যুদ্ধ।
এক সময় আইয়্যামে জাহলেলিয়ার মত এই যোত্র যুদ্ধ পরিণত হবে রাষ্ট্রীয় যুদ্ধে। তখন বাংলাদেশের অসস্হা অবস্হা কি হবে?

সে সময়ে এনজিওদের অতিরিক্ত ভালবাসার ফল একদিন এতবেশি তেতু হয়ে যাবে তখন তাঁরা নিজেদের সামলানো আরও কষ্টকর হয়ে পড়বে।
তখন কি করবেন তাই আগে থেকে সাবধান হয়ে যান।

পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে একটাই অনুরোধ রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে এনজিওদের স্বজন প্রীতি বন্ধের নির্দেশ সহ ক্যাম্প ইনচার্জদের রোহিঙ্গাদের প্রতি কঠোর হওয়ার নির্দশনা প্রদান করুন। তাহলেই বন্ধ হবে রোহিঙ্গাদর অযুক্তিক সহিংসতা।

বেঁচে যাবে নিরাপদ হবে প্রিয় স্বাধীন মাতৃভূমির ভূখন্ডের মানুষ ফিরে আসবে সঠিক নিয়ন্ত্রণ।

নিবেদক–
দেলোয়ার হোছাইন (বাপ্পী)
বি,এ এম,এ এল এল,বি(অধ্যায়নরত)
বালুখালী,উখিয়া-কক্সবাজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *