Saturday, 24 Oct 2020

কচ্ছপিয়ায় মিথ্যা তথ্য,জাল দলিল দিয়ে জমির খতিয়ান সৃজন করার অভিযোগ

ভাষান্তর: | বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी ဗမာစာ ဗမာစာ

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু::
রামু উপজেলার কচ্ছপিয়ায় মিথ্যা তথ্য ও জাল দলিল দিয়ে ভূয়া খতিয়ান সৃজন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২০ ইং তারিখে মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে অসহায় আবদুল মালেক বাদী হয়ে ভূয়া খতিয়ান সৃজন করার পায়তারার বিরুদ্ধে রামু সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তার বরাবরে আপত্তি (অভিযোগ) দাখিল করেছেন। অভিযোগে প্রকাশ আবেদনকারী উপরোক্ত ঠিকানার স্থায়ী বাসিন্দা। নিম্ন তফসিলের জমির খরিদসূত্রে মালিক এবং ভোগ দখলদার হই। প্রতিপক্ষ অছিউর রহমান এর ১। (পিতা) নজির আহমদ, ২। ( জেঠা) ছিদ্দিক আহমদ, ৩। ( চাচা) ফকির আহমদ, সর্বপিতা – মৃত সোলাইমান মিলে নিম্ন তফসীলের আন্দর মোট ৯০ শতক জমি ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে থাকাবস্থায় তাহাদের টাকার প্রয়োজন বশতঃ ৩ ভাইয়ে মিলে বিগত ২০/০৭/১৯৮৩ইং তারিখের ৫৩৪৫নং কবলা দলিল মূলে ৩০ শতক এবং ১১/১২/১৯৮৩ ইং তারিখের ৭৭৯৯ নং রেজিঃ কবলা দলিল মূলে ২৫ শতক সর্বমোট ৫৫ শতক জমি আবদুল মালেক (গং- ৪) জনের নিকট বিক্রি করিয়া দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেই সমস্ত প্রকৃত তথ্যাদি গোপন করিয়া জমি বিক্রেতা নজির আহমদ মৃত স্থলে তাহার ওয়ারিশ অছিয়র রহমান গং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওয়ারিশগনের নামে ওয়ারিশ সনদ পত্র দিয়ে ভূয়া খতিয়ান সৃজন করার জন্য সূত্রে বর্ণিত ৮৭৭/২০-২১ নং নামজারী মোকদ্দমা দায়ের করিয়াছেন। বর্তমানে উক্ত মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে দয়েরী প্রস্তাবখানা বাছাইয়ের জন্য গর্জনিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার নিকট আছে। ইউনিয়ন সহকারী ভূমি অফিসার মোঃ আবছার জানান নামজারী ও জমিভাগ মামলাটি আমার নিকট আছে রবিবার যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। অভিযোগকারী আবদুল মালেক জানান মিজানুর রহমান ও অছিউর রহমান সৎ ভাই তাদের পিতা সাবেক মেম্বার মৃত নজির আহাম্মদ। নজির মেম্বার তারা হচ্ছে তিন ভাই ছিদ্দীক আহাম্মদ,ফকির আহাম্মদ, মিজানুর রহমানের মাধ্যমে অছিউর রহমান তার বাবার নামে জাল দলিল করেন। উক্ত জাল দলিল দিয়ে তাদের নামে গোপনে নামজারী করার জন্য রামু ভূূূমি অফিসে আবেদন করেন। আমি উক্ত জাল দলিল করে খতিন সৃজন কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অভিযুক্ত জমির তফসীল হচ্ছে মৌজা-দক্ষিণ কচ্ছপিয়া, উপজেলা- রামু, জেলা- কক্সবাজার। বি.এস খতিয়ান নং – ২৭৫, এর বি. এস দাগ নং- ৬৫২২,৬৫২৪,৬৫২৩,৬৫২৭,৬৫৩১ আন্দর ৭১ শতক। বি.এস খতিয়ান নং- ২৭৬, এর বি. এস দাগ নং- ৬৫২৯, ৬৫৩০ আন্দর ১৯ শতক সর্বমোট ৭১+০.১৯= ৯০ নব্বই শতক ক্রয়কৃত জমি হতে বিক্রিত জমির জমির পরিমাণ ৫৫ শতক জমি। অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে একাদিক বার মুটে ফোনে যোগযোগ করে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *